বিধবা ভাতা,বার্ধক্য ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা ১০০০ থেকে বেড়ে ২০০০ টাকা হল। বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের। রাজ্য সরকারের সূত্রের খবর খুব শিগগিরই একাধিক বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে চলেছে রাজ্য। ভাতা ছাড়াও একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে চলেছে খুব শিগগিরই। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পর ফের বড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের।
ভাতার ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত। এ ছাড়াও অবৈধ বাড়ি শহর এবং শহরের বাইরেও যা রয়েছে যাদের ফায়ার লাইসেন্স নেই, এনওসি নেই অথচ সেগুলো চলছে সেগুলোতে রাজ্য নোটিশ পাঠাতে শুরু করছে। প্রথমে সময় দেওয়া হবে। সংশোধন করতে বলা হবে। যারা নিয়ম মানবে না তাদের বিষয়ে পরবর্তীকালে মুখ্যমন্ত্রী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও সূত্রের খবর।

প্রসঙ্গত, প্রচারের সময় কিংবা নিজেদের নির্বাচনী ইস্তেহারে আগেই ভাতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বিজেপির তরফে। এই নিয়ে জোরদার প্রচার চালিয়েছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। রাজ্যে প্রচারে এসে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও বার বার এই বিষয়ে সোচ্চার হন। সেইসময় বিজেপির নেতা-কর্মীরা জানিয়েছিলেন, যে ভাতা পূর্বতন সরকার দেয় সেই টাকা সংসার চালানোর জন্য উপযুক্ত নয়। সেই কারণে, বিজেপি সরকার এলে এই ভাতা বাড়ানো হবে। সেই প্রতিশ্রুতিই এবার রাখতে চলেছে বিজেপি সরকার।
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পূর্বতন তৃণমূল সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্প। পাশাপাশি বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতাও চালু ছিল সেই সরকারের আমলে। আর কার্যত তাতেই ফুলেফেঁপে উঠেছিল তৃণমূলের মহিলা ভোট ব্যাঙ্ক। গত অন্তর্বর্তী বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ভাতা ১৫০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে। বিজেপি প্রতিশ্রুতি দেয়, তারা ক্ষমতায় এলে ৩০০০ করে ভাতা দেওয়া হবে মহিলাদের। সেই মতো অন্নপূর্ণা প্রকল্পের ঘোষণা ইতিমধ্যেই করেছে বিজেপি সরকার। তবে, জল্পনা চলছিল বাকি যে ভাতা পূর্বতন তৃণমূল সরকার দিত, সেই সকল ভাতা কি বাড়ানো হবে না? এই সকল প্রশ্নের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্তে বাংলার বিজেপি সরকার।
